Saturday, August 6, 2016

মাথা ব্যাথা

মাথা ব্যাথা নাই এমন লোক মনে হয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। মাথা ব্যথা খুব ছোট উপসর্গ হলেও অতিষ্ঠ হতে হয়। আজ রয়েছে ওষুধ ছাড়া তীব্র মাথা ব্যথা কমানোর কয়েকটি উপায়!
প্রায় সকলের মধ্যেই মাথা ব্যথার প্রবণতা দেখা যায়। যে কারণে বলা যায় এটি খুব পরিচিত একটি সমস্যা। যেকোন বয়সের মানুষেরাই মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হতে পারেন। মাথা ব্যথা হলে বিশেষ করে মাথা ব্যথার পরিমাণ যাদের বেশি হয় তাদের বমি বমি ভাব দেখা যায় বা কখনও কখনও বমিও করে।

মাথা ব্যথা হওয়ার পরিচিত কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
# মানসিক চাপ
# দুশ্চিন্তা
# ক্লান্ত দেহ
# সাইনাস সমস্যা
# মাইগ্রেন
# পানিশুন্যতা
# ঘুম কম হওয়া ইত্যাদি।
আমরা সাধারণতভাবে মাথা ব্যথা হলে ঔষধ খেয়ে থাকি ব্যথা কমানোর জন্য। তবে এবার এই মাথা ব্যথা আপনি চাইলে ওষুধ ছাড়াই সারিয়ে তুলতে পারবেন। প্রশ্ন করতে পারেন কীভাবে? চলুন তাহলে জেনে নিই কিছু পন্থা।
পানি পান করুন
আপনার মাথা ব্যথা হলে প্রথমেই বেশি করে পানি পান করুন। আপনার মাথা ব্যথা যদি হয়ে থাকে পানিশূন্যতার জন্য তাহলে সহজেই আপনি মাথা ব্যথা সারিয়ে তুলতে পারবে এতে করে।
# যখন আপনার মাথা ব্যথা সাধারণ পর্যায়ে থাকবে তখন একগ্লাস পানি পান করে নিন। এরপর ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে পানি পান করতে থাকুন।
# যখন আপনার মাথা ব্যথা করবে তখন কোমল পানীয় খাওয়া হতে বিরত থাকুন।
লেবু বড়ই উপকারী
মাথা ব্যথার জন্য লেবু খুবই উপকারী। কারণ লেবু দেহের এসিড-এলকালাইন (acid-alkaline) -এর মাত্রা ঠিক রাখে।
# মাথা ব্যথা শুরু হওয়ার পর কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে সেটি খেয়ে নিন। পেটে গ্যাসের সমস্যা হলেও অনেক সময় মাথা ব্যথা করে।
# লেবুর খোসা গ্রেট করে পেস্ট বানিয়ে ব্যথার আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে নিন। এতে দেখবেন কিছুক্ষণ পরেই ব্যথা কমে যাবে।
পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতা মাথা ব্যথার জন্য খুবই উপকারী। তাই মাথা ব্যথা হলে পুদিনা পাতা ব্যবহার করে দেখুন, এতে করে মাথা ব্যথা কমে যাবে খুব দ্রুত।
# পুদিনা পাতা দিয়ে চা তৈরি বানান। পানি বয়েল হয়ে গেলে নামিয়ে অন্তত ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর মধু মিশিয়ে সেটি খেয়ে নিন।
# আপনি পুদিনার পাতার তেল ব্যবহার করতে পারেন। এটি মাথা ব্যথা সারাতে বেশ উপকারী। ঘাড়ে, মাথায় ম্যাসাজ করুন, তাতে করে ব্যথা কমে যাবে।
# মাথা ব্যথার সময় যাদের বমি বমি ভাব হয় তারা পুদিনা পাতা খেতে পারেন। এতে উপকার হবে।

১৪০০ বছর আগে রাসুল (সাঃ) এর বাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে !

মুহাম্মদ (সাঃ) বvলেছেনঃ "পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে।"
- (সহীহ বুখারী ৫৩৭১)
বিজ্ঞান বলে, পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে, তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।
মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, "ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত"
- (সহীহ বুখারী ৫৫১৫)
বিজ্ঞান বলে, ভ্রু হলো চোখের সুরক্ষার
জন্য। ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা
কাটা পড়ে যায় তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল হতে পারে, অথবা মৃত্যুবরণও করতে পারে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম"
- (সহীহ বুখারী ৬১২৪)
বিজ্ঞান বলে, ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুম্পান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতিশক্তি ও কমে যায়।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।"
- (মুসলিম ১৬৫৫)
বিজ্ঞান বলে, স্বর্ণ এমন একটি পদার্থ যা স্কিনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়। আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে।
- (সহীহ বুখারী ৩২৮০)
বিজ্ঞান বলে, ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে। আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না, যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা থাকে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ।"
- (সহীহ মুসলিম ৪৯৩ ও ৪৯৪)
বিজ্ঞান বলে, দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুস্ফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে।
আল্লাহ সুবনাহু তায়ালা বলেন, "আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়োনা। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ।"
- (বনি ইসরাঈল ৩২) নেশাগ্রস্থ শয়তানের কাজ (মাইদাহ ৯০)
বিজ্ঞান বলে, পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশায় যদি কেউ জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়া পরিচালনা করার ইনটেলেকচুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়। যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল ও অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে। এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।
আল্লাহ বলেন, "আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়।"
- (আরাফ ২০৪)
বিজ্ঞান বলে, কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে, অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগীদের। আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে, ঠিক যেমন ভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারীকে সচল করা হয়।
শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। সবাইকে জানিয়ে দিন ইসলামের বিজয়ের কথা !!