Sunday, August 7, 2016

Happy Friendship day

‪WCG Theme Song Bangladesh-2010..flv

TREE: ধূমপান ত্যাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ৫টি খাদ্য!!...

TREE: ধূমপান ত্যাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ৫টি খাদ্য!!...: ধূূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ধূমপান ক্যান্সারের কারণ। এমন ভয়াবহ সতর্কবার্তা স্বয়ং সিগারেটের প্যাকেটে লেখা থাকা সত্ত্বেও অধিকাংশ মান...

TREE: কিভাবে চিনবেন খাঁটি মধু???????

TREE: কিভাবে চিনবেন খাঁটি মধু???????: মধু হলো একটি উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি প্রাকৃতিক তরল। মধু প্রকৃতি প্রদত্ত এক বিশুদ্ধ মিষ্টি খাদ্য, যা চিনির চাইতে অনেক গুণ মিষ্টি। মধু হলো...

TREE: ঝটপট নুডলস মেয়েদের জন্য ক্ষতিকর!!!!!!!!

TREE: ঝটপট নুডলস মেয়েদের জন্য ক্ষতিকর!!!!!!!!: শর্টকার্ট কাজ করার অভ্যাস আমাদের সকলেরই। রান্নার ক্ষেত্রেও এমনটি হয়ে থাকে। যেমন ঝটপট নুডলস রান্না করেন মেয়েরা, বিশেষ করে বাচ্চাদের জন্য।...

TREE: জ্বর

TREE: জ্বর: যে কারও জ্বর হতে পারে। আর এই জ্বর বলে কয়ে আসে না। বিশেষ এই সময়টিতে জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। কারণ আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এমন হয়ে...

TREE: জ্বর

TREE: জ্বর: যে কারও জ্বর হতে পারে। আর এই জ্বর বলে কয়ে আসে না। বিশেষ এই সময়টিতে জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। কারণ আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে এমন হয়ে...

TREE: লবণ দিয়ে ম্যাজিকের মতো মাইগ্রেনের যন্ত্রণা দূর কর...

TREE: লবণ দিয়ে ম্যাজিকের মতো মাইগ্রেনের যন্ত্রণা দূর কর...: মাইগ্রেন বা মাথা ব্যথা যাদের আছে তারা বোঝেন মাথা ব্যথা হলে কি অবস্থা দাড়ায়। অথচ খুব সহজ একটি জিনিস salt দিয়ে ম্যাজিকের মতো মাইগ্রেনের য...

TREE: শরীরের মেদ একটি বড় সমস্যা।!!!!!!!!

TREE: শরীরের মেদ একটি বড় সমস্যা।!!!!!!!!: বিশেষ করে যাদের বয়স বাাড়ছে তাদের এই সমস্যাটি বেশি। তাই আজ রয়েছে মেদ কমানোর সহজ পদ্ধতি। জেনে নিন সেই পদ্ধতিটি! ওজন কমানোর জন্য বিশেষ ক...

TREE: ফরমালিন

TREE: ফরমালিন: যেভাবে ফলের মধ্যে ফরমালিন দেওয়া হচ্ছে!!!!!! তাতে আজকাল আমরা ফরমালিনমুক্ত ফল খেতেও ভয় পেয়ে থাকি। তাই পুষ্টিবিষয়ক সচেতনামূলক এক কর্মশালা...

TREE: ঘাম

TREE: ঘাম: ঘাম আমাদের সবার কম-বেশি হয়ে থাকে। বিশেষ করে বাইরে বের হলে ঘাম বেশি হয়। ঘাম শরীরের জন্য কী কী উপকার করে তা জেনে নিন! আপনি বাইরে বের...

TREE: শরীরের মেদ একটি বড় সমস্যা।!!!!!!!!

TREE: শরীরের মেদ একটি বড় সমস্যা।!!!!!!!!: বিশেষ করে যাদের বয়স বাাড়ছে তাদের এই সমস্যাটি বেশি। তাই আজ রয়েছে মেদ কমানোর সহজ পদ্ধতি। জেনে নিন সেই পদ্ধতিটি! ওজন কমানোর জন্য বিশেষ ক...

Saturday, August 6, 2016

মাথা ব্যাথা

মাথা ব্যাথা নাই এমন লোক মনে হয় খুঁজে পাওয়া যাবে না। মাথা ব্যথা খুব ছোট উপসর্গ হলেও অতিষ্ঠ হতে হয়। আজ রয়েছে ওষুধ ছাড়া তীব্র মাথা ব্যথা কমানোর কয়েকটি উপায়!
প্রায় সকলের মধ্যেই মাথা ব্যথার প্রবণতা দেখা যায়। যে কারণে বলা যায় এটি খুব পরিচিত একটি সমস্যা। যেকোন বয়সের মানুষেরাই মাথা ব্যথায় আক্রান্ত হতে পারেন। মাথা ব্যথা হলে বিশেষ করে মাথা ব্যথার পরিমাণ যাদের বেশি হয় তাদের বমি বমি ভাব দেখা যায় বা কখনও কখনও বমিও করে।

মাথা ব্যথা হওয়ার পরিচিত কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
# মানসিক চাপ
# দুশ্চিন্তা
# ক্লান্ত দেহ
# সাইনাস সমস্যা
# মাইগ্রেন
# পানিশুন্যতা
# ঘুম কম হওয়া ইত্যাদি।
আমরা সাধারণতভাবে মাথা ব্যথা হলে ঔষধ খেয়ে থাকি ব্যথা কমানোর জন্য। তবে এবার এই মাথা ব্যথা আপনি চাইলে ওষুধ ছাড়াই সারিয়ে তুলতে পারবেন। প্রশ্ন করতে পারেন কীভাবে? চলুন তাহলে জেনে নিই কিছু পন্থা।
পানি পান করুন
আপনার মাথা ব্যথা হলে প্রথমেই বেশি করে পানি পান করুন। আপনার মাথা ব্যথা যদি হয়ে থাকে পানিশূন্যতার জন্য তাহলে সহজেই আপনি মাথা ব্যথা সারিয়ে তুলতে পারবে এতে করে।
# যখন আপনার মাথা ব্যথা সাধারণ পর্যায়ে থাকবে তখন একগ্লাস পানি পান করে নিন। এরপর ধীরে ধীরে অল্প অল্প করে পানি পান করতে থাকুন।
# যখন আপনার মাথা ব্যথা করবে তখন কোমল পানীয় খাওয়া হতে বিরত থাকুন।
লেবু বড়ই উপকারী
মাথা ব্যথার জন্য লেবু খুবই উপকারী। কারণ লেবু দেহের এসিড-এলকালাইন (acid-alkaline) -এর মাত্রা ঠিক রাখে।
# মাথা ব্যথা শুরু হওয়ার পর কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে সেটি খেয়ে নিন। পেটে গ্যাসের সমস্যা হলেও অনেক সময় মাথা ব্যথা করে।
# লেবুর খোসা গ্রেট করে পেস্ট বানিয়ে ব্যথার আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে নিন। এতে দেখবেন কিছুক্ষণ পরেই ব্যথা কমে যাবে।
পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতা মাথা ব্যথার জন্য খুবই উপকারী। তাই মাথা ব্যথা হলে পুদিনা পাতা ব্যবহার করে দেখুন, এতে করে মাথা ব্যথা কমে যাবে খুব দ্রুত।
# পুদিনা পাতা দিয়ে চা তৈরি বানান। পানি বয়েল হয়ে গেলে নামিয়ে অন্তত ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর মধু মিশিয়ে সেটি খেয়ে নিন।
# আপনি পুদিনার পাতার তেল ব্যবহার করতে পারেন। এটি মাথা ব্যথা সারাতে বেশ উপকারী। ঘাড়ে, মাথায় ম্যাসাজ করুন, তাতে করে ব্যথা কমে যাবে।
# মাথা ব্যথার সময় যাদের বমি বমি ভাব হয় তারা পুদিনা পাতা খেতে পারেন। এতে উপকার হবে।

১৪০০ বছর আগে রাসুল (সাঃ) এর বাণী আজ বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে !

মুহাম্মদ (সাঃ) বvলেছেনঃ "পুরুষের প্যান্ট বা কাপড় পায়ের টাখনুর উপর পড়তে হবে। অন্যথায় তারা জাহান্নামে যাবে।"
- (সহীহ বুখারী ৫৩৭১)
বিজ্ঞান বলে, পুরুষের টাখনুর ভিতর প্রচুর পরিমানে হরমোন থাকে এবং তার আলো বাতাসের প্রয়োজন হয়। তাই কেউ যদি তা খোলা না রেখে ঢেকে রাখে, তাহলে তার যৌনশক্তি কমে যাবে এবং বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।
মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, "ভ্রু প্লাগকারীর উপর আল্লাহর লানত"
- (সহীহ বুখারী ৫৫১৫)
বিজ্ঞান বলে, ভ্রু হলো চোখের সুরক্ষার
জন্য। ভ্রুতে এমন কিছু লোম থাকে যদি তা
কাটা পড়ে যায় তাহলে ভ্রুপ্লাগকারী পাগল হতে পারে, অথবা মৃত্যুবরণও করতে পারে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়া হারাম"
- (সহীহ বুখারী ৬১২৪)
বিজ্ঞান বলে, ধুমপানের কারনে ফুস্ফুসের ক্যান্সার, ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুম্পান করলে ঠোট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায় এমনকি স্মৃতিশক্তি ও কমে যায়।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।"
- (মুসলিম ১৬৫৫)
বিজ্ঞান বলে, স্বর্ণ এমন একটি পদার্থ যা স্কিনের সাথে মিশে ব্লাডের মাধ্যমে ব্রেনে চলে যায়। আর তার পরিমান যদি ২.৩ হয় তাহলে মানুষ তার আগের স্মৃতি সব হারিয়ে ফেলবে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ঘুমানোর সময় আলো নিভিয়ে এবং ডান কাত হয়ে ঘুমাতে।
- (সহীহ বুখারী ৩২৮০)
বিজ্ঞান বলে, ডান কাত হয়ে ঘুমালে হার্ট ভালো করে পাম্প করে। আর লাইট না নিভিয়ে ঘুমালে ব্রেনের এনাটমি রস শরীরে প্রবেশ করতে পারে না, যার ফলে ক্যান্সার হওয়ার খুব সম্ভবনা থাকে।
রাসুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "তোমরা গোফ ছেটে ফেল এবং দাড়ি রাখ।"
- (সহীহ মুসলিম ৪৯৩ ও ৪৯৪)
বিজ্ঞান বলে, দাড়ি না রাখলে স্ক্রিন ক্যান্সার, ফুস্ফুসের ইনফেকশন এবং ৪০ এর আগে যৌবন হারানোর সম্ভবনা থাকে।
আল্লাহ সুবনাহু তায়ালা বলেন, "আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়োনা। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং ধ্বংসের পথ।"
- (বনি ইসরাঈল ৩২) নেশাগ্রস্থ শয়তানের কাজ (মাইদাহ ৯০)
বিজ্ঞান বলে, পর্নোগ্রাফি ও অশ্লীল সম্পর্ক সহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য নেশায় যদি কেউ জড়িয়ে পড়ে, তাহলে তার ব্রেনের ফরেন্টাল এরিয়া পরিচালনা করার ইনটেলেকচুয়াল সেলগুলো থরথর করে কাপতে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়। যার ফলে সে নেশাগ্রস্থ হয়ে মাতাল ও অসুস্থের মত জীবন পরিচালনা করে। এবং তা তাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।
আল্লাহ বলেন, "আর যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ এবং নিশ্চুপ থাক যাতে তোমাদের উপর রহমত হয়।"
- (আরাফ ২০৪)
বিজ্ঞান বলে, কুরআনের সাউন্ড ওয়েব শরীরের সেলগুলোকে সক্রিয় করে, অসুস্থতা আরোগ্য করে বিশেষ করে হার্ট এবং ক্যান্সার রোগীদের। আর ব্রেনকে এমনভাবে চার্জ করে, ঠিক যেমন ভাবে ফিউজ হওয়া ব্যাটারীকে সচল করা হয়।
শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। সবাইকে জানিয়ে দিন ইসলামের বিজয়ের কথা !!

Saturday, July 23, 2016

শাবির প্রথম ভিসি ছদরুদ্দিন চৌধুরী আর নেই

শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ভাষা সৈনিক . ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।


শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ঢাকায় ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছেন তার মেয়ে অধ্যাপক . নাজিয়া চৌধুরী।
ছদরুদ্দিন চৌধুরীর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। বার্ধক্যজনিত নানা রোগে তিনি দীর্ঘদিন ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন।
সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী একাধারে শিক্ষাবিদ, পদার্থ বিজ্ঞানী, ভাষাসৈনিক, গবেষক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এবং পরিবেশ আন্দোলনের সংগঠক ছিলেন।
উপাচার্যের দায়িত্ব পালনকালে নব্বইয়ের দশকে সেশনজটমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বেশ সুনাম অর্জন করেছিল।
১৯৩১ সালের লা জানুয়ারি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
১৯৫১ সালে এমসি কলেজ থেকে আইএসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে অনার্সে ভর্তি হন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন সময়ে রাজনীতি সচেতন শিক্ষার্থী হিসেবে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি।
প্রায় ষাট বছরের শিক্ষকতা জীবনে ছদরুদ্দিন চৌধুরী চারটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ ফিজিক্যাল সোসাইটির ফেলো ১৯৯৪-৯৬ সাল পর্যন্ত সংগঠনটির সভাপতি, ওর্য়াল্ড ইউনিয়ন অব ক্রিস্টালোগ্রাফির সদস্য ছিলেন।
সাদাসিদে জীবন যাপনের জন্য ছাত্র-শিক্ষক সবার কাছেই বেশ প্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন ১৯৬৬ সালে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেষ্টার ইউনিভার্সিটি থেকেএক্স-রে ক্রিস্টালোগ্রাফিবিষয়ে পিএইচডি অর্জন করা এই শিক্ষক।
এক্স-রে ক্রিস্টালোগ্রাফি বিষয়ে গবেষণা ছাড়াওহিউম্যান ইনসুলিনআবিষ্কার তার মৌলিক আবিষ্কার।
আন্তর্জাতিক জার্নালে তার অর্ধশতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
১৯৮৯ সালে থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
২০০৬ সাল থেকে সিলেট অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় গঠিত নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), সিলেট শাখার সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন
ব্যক্তিজীবনে তিনি তিন কন্যা সন্তানের জনক।


খুতবা নয়, খুতবার বিষয়বস্তু চায় জমিয়তুল উলামা

ইসলামি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জুমার নামাজের খুতবা ঠিক না করে দিয়ে কেবল বিষয়বস্তু (থিম) ঠিক করে দেওয়ার পক্ষে মত এসেছে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার পক্ষ থেকে।

সংগঠনের ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি আল্লামা ইয়াহইয়া মাহমুদকে উদ্ধৃত করে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “মসজিদের খতিবগণ কোকিলপাখি নন যে, কারোবুলি তারা প্রতি শুক্রবার আওড়াতে থাকবেন।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “অনেক যাচাই-বাছাই করে খতিবদের নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের উদ্দেশ্যে বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ সাপেক্ষে কিছু থিম বলে দেওয়া যেতে পারে।
ইসলামি ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শামীম মোহম্মদ আফজালের নাম উল্লেখ করে ইয়াহইয়া বলেন, তিনি খুতবা নিয়ন্ত্রণ খতিব কাউন্সিল গঠন করতে যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা আলেমদের মধ্যে আবেদন তৈরি করতেচরমভাবে ব্যর্থ হবে
দেশে-বিদেশে সন্ত্রাসী হামলা শোলাকিয়ায় বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ফরিদউদ্দীন মাসউদকে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শোলাকিয়া ঈদ জামাতের ইমাম ফরিদউদ্দীন ইসলামি ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
জমিয়তুল উলামার উদ্যোগে ইসলামের নামে জঙ্গি সন্ত্রাসবাদকেহারামআখ্যা দিয়ে লক্ষাধিক মুফতি আলেম-ওলামাদের যে স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়, সেখানে ইসলামি ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের স্বাক্ষর ছিল না।

গান কবিতায় জঙ্গিবাদ প্রতিরোধের ডাক

বৃষ্টিতে ভিজে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে গুলশানের অভিমুখেগান কবিতার মিছিলপদযাত্রা কর্মসূচি পালন করেছে সাংস্কৃতিক জোট।


শনিবার বিকাল ৩টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে এই পদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করে সংস্কৃতিকর্মীরা। পদযাত্রাটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ হাতিরঝিল হয়ে গুলশান- গিয়ে শেষ হয়।
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের ব্যানারেমানবতা স্বদেশ ভাবনায় রুখে দাঁড়াও জঙ্গিবাদস্লোগান নিয়ে পালিত হয় এই কর্মসূচি।
পদযাত্রায় সাংস্কৃতিক কর্মীরা মুক্তিযুদ্ধের গান, মানবতার গান, স্বদেশ প্রেমের গান, জাগরণের গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদে উত্তাল করে তোলেন ঢাকার রাজপথ।
সময় তাদের কণ্ঠে উঠে আসেএমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, ‘তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দেবোরে’, ‘মাগো ভাবনা কেন’, ‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’, ‘মানুষ ভজলে ভবে সোনার মানুষ হবি’, ‘ভয় কি মরণেইত্যাদি গান।
এসব গানের সুরে-তালে-ছন্দে সংস্কৃতিকর্মীদের সঙ্গে কন্ঠ মেলায় গান কবিতার মিছিলে অংশ নেওয়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতশত সাধারণ মানুষ।
এই পদযাত্রায় অংশ নেন অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান, নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ, জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি মুহাম্মদ সামাদ।
এছাড়াও গণসঙ্গীত শিল্পী ফকির আলমগীর, কবি মুহম্মদ নুরুল হুদা, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক হাসান আরিফ, গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ঝুনা চৌধুরী, অভিনেত্রী ত্রপা মজুমদার, অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী, নারী নেত্রী আয়শা খানমসহ আরও অনেকে।
এর আগে পদযাত্রার শুরুতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীতে শামসুর রাহমানেরস্বাধীনতা তুমিকবিতাটি আবৃত্তি করেন বাচিকশিল্পী আহকাম উল্লাহ।
এসময় জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, “যখন আমাদের অভাব ছিল, শিক্ষার পর্যাপ্ত সুযোগ ছিল না, তখন আমাদের ভেতরে মানবিকতার বোধ ছিল, মানুষের মাঝে সম্প্রীতি ছিল। সবকিছু মিলিয়ে একটা উদার সংস্কৃতি চর্চাও ছিল।